নতুন মন্ত্রিসভার চমক, বাদ পড়লেন বিতর্কিতরা

লেখক:
প্রকাশ: ২ years ago

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় নতুন ও পুরাতনদের মধ্য থেকে বাদ পড়েছেন ১৫ পূর্ণ মন্ত্রী, ১৩ প্রতিমন্ত্রী ও ২ উপমন্ত্রী। বুধবার (১০ জানুয়ারি) নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য পুরনোদের বৃহস্পতিবার শপথ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হলেও এদের নাম তালিকায় পাওয়া যায়নি।

 

দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, দায়িত্বের বাইরে গিয়ে অতিকথন, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাণিজ্য সিন্ডিকেট, অনিয়ম, দুর্নীতিসহ নানা কর্মকাণ্ডে বিতর্কের জন্ম দিয়ে আলোচিত-সমালোচিত ছিলেন এসব মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। ফলে, গত পাঁচ বছরে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট মহল। এসব কারণে তাদের বাদ দিয়ে এবার সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

বাদ পড়া ১৫ পূর্ণ মন্ত্রী হলেন- বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল কালাম আব্দুল মোমেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনসি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, পরিকল্পনামন্ত্রী এম. এ. মান্নান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

বাদ পড়া ১৩ প্রতিমন্ত্রী হলেন- বর্তমান প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল , শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়া, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। এ ছাড়া, দুই ‍উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন- তারা হলেন পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একে এম এনামুল হক শামীম।

প্রচ্ছদবিনোদন এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথমেই স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদানের জন্য বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এজন্য চাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। স্বাস্থ্য খাতে কোনো প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ লক্ষ্যে কমিটির সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।শনিবার পিরোজপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ফারুক আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, ইউএনও সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর সিকদার, ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।এর আগে মন্ত্রী স্বরূপকাঠি পৌর গোরস্থান ও শ্মশান ঘাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে যোগ দেন।সেখানে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয় এমন কোন কাজ না করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।পরে মন্ত্রী জাতীয় সমবায় দিবসের র‌্যালিতে অংশ গ্রহণ করেন। সব শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘দলে থাকবেন আর দলের সিদ্ধান্ত বিরোধী কাজ করবেন, তা হবে না। অনুপ্রবেশকারীকে দলে স্থান দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনা রাত-দিন পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়ন করে চলছেন। এ ধারা অব্যহত রাখতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।’
৬ years ago