চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আকরাম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। সোমবার রাত ১১ টার দিকে তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।
তার বিরুদ্ধে ঝন্টু নামের স্থানীয় চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটকের পর ৭ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেয়া এবং তাকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান (পিপিএম) জানান, এ ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দু সদস্য হলেন সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) আহসান হাবীব (পিপিএম) এবং ডিআই (ওয়ান) গোলাম মোহাম্মদ।
তিনি বলেন, ঘটনা তদন্তের পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গত ২৪ মে রাতে জোর গুঞ্জন ওঠে উপজেলার দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুরের ঝণ্টু নামের এক চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। পরদিন সকালে বিষয়টি নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গুঞ্জণের মাত্রা বাড়তে থাকে। কেউ বলে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের (৭ লাখ) টাকা নেয়া হয়েছে। কেউ বলে গোপনে রাখা হয়েছে, ক্রসফায়ার হতে পারে। অবশেষে জানা যায়, ওসির সহযোগিতায় মাদক ব্যবসায়ী ঝণ্টু ছাড়া পেয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছে।
তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ওসি আকরাম হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে অভিযান চলছে। একজন ওসির বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।