হাবিবের চমক এবার আয়েশা মারজানা

লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago

ছবি দেখেই বুক আৎকে উঠে। ভয়ংকর এক দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছেন তিনি। বুঝি বা কোনো রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার। সুদর্শন হাবিব ওয়াহিদকে এমন দৃশ্যে কল্পনা করাও কষ্টের। তবুও এমন রুপেই হাজির হতে যাচ্ছেন তিনি।

ধ্রুব মিউকিজ স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ হতে যাচ্ছে হাবিবের নতুন গানের ভিডিও। শিরোনাম ‘তোমার চোখে জল’। এর কণ্ঠ-সুর-সংগীত যথারীতি হাবিব নিজেই। লিখেছেন গুঞ্জন রহমান। আর ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার পলক।

হাবিবের নতুন মিউজিক ভিডিও মানেই কোনো না কোনো মডেল বা অভিনেত্রীকে নিয়ে হাজির হন তিনি। এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না নতুন গানটির বেলাতেও। এখানে দেখা যাবে মডেল আয়েশা মারজানাকে। ২০১৪ সালের শেষদিকে প্রাণ চিয়ার্স বিজ্ঞাপনে প্রথমবারের মতো ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান এই তরুণী।

এরপর ফ্রেশ আটা, হুয়াওয়ে, প্রাণ মিল্ক, প্রাণ অলটাইম বাটার বান, টেল প্লাস্টিক, রিগাল ফার্নিচার, ফেয়ার গ্লো ফেয়ারনেস সোপ, বাংলালিংকসহ আরো কয়েকটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন মারজানা।

এর বাইরে তিনি ফেয়ারগ্লো সাবানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের দায়িত্ব পালন করছেন। র্যাম্প মডেলিংয়েও জনপ্রিয় নাম আয়েশা মারজানা। পড়াশোনা করছেন চার্টাড অ্যাকাউন্টেন্ট হবার স্বপ্ন নিয়ে।

শিগগরিই হাবিব ও আয়েশা মারজানার ফটোশুটের ছবি প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে।

এক অসমাপ্ত প্রেম কাহিনি নিয়ে তৈরি মিউজিক ভিডিওটি ১৩ ফেব্রুয়ারি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলসহ অন্তর্জালের বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাবে।

হাবিব ওয়াহিদে গাওয়া সর্বশেষ ‘চলো না’ গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ পায় গেল মাসের ১২ জানুয়ারি। সেখানে তার সঙ্গে মডেল হয়েছিলে শারলিনা হোসেন।

জাতীয়প্রচ্ছদ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago