সংসদে তথ্যমন্ত্রীঃ ৩০ টিভি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের ৩০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।

তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য আহসানুল ইসলামের (টিপু) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে জানান, ৪৫টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩০টি চ্যানেল সম্প্রচার করছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) গত ৩০ মে থেকে এবং ১ অক্টোবর থেকে ৩০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের একমাত্র সরকারি মালিকানাধীন বেতার কেন্দ্র হচ্ছে বাংলাদেশ বেতার, ঢাকাসহ সারাদেশে বাংলাদেশ বেতারের ১৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ বেতারের প্রচারের পরিধি ও সময় উভয়ই আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি মালিকানাধীন এফএম বেতারকেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনার জন্য ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে পরীক্ষামূলক লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। এরমধ্যে ২৩টি বেতারকেন্দ্রের সম্প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাকি ৫টি প্রতিষ্ঠানের সম্প্রচার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কমিউনিটি রেডিও স্থাপন, সম্প্রচার ও পরিচালনার জন্য মোট ৩২টি পরীক্ষামূলক লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। এরমধ্যে ১টি সরকারি এবং ৩১টি এনজিও ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। সরকারি কমিউিনিটি রেডিওটি ‘কৃষি রেডিও’ নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষি তথ্য সার্ভিস কর্তৃক পরিচালিত। ৩২টি কমিউনিটি রেডিও’র মধ্যে ১৮টি কমিউনিটি রেডিও’র সম্প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাকী ১৩টি কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে।

জাতীয়প্রচ্ছদবরিশালরাজনীতি এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago