মানসিকভাবে ভেঙে না পড়াটা আশাবাদী করছে মাশরাফিকে

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

রাত সাড়ে ১১টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ফুলেল অভ্যর্থনাই পেল বাংলাদেশ দল। কিছুটা ভ্রমণক্লান্তি আছে বটে, তবে বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের মুখে হাসি বিমানবন্দরের লাল-নীল বাতির চেয়ে বেশি ঔজ্জ্বল্য ছড়াল। এশিয়া কাপের শিরোপাটা জেতা হয়নি, তবে বাংলাদেশ যে দুর্দান্ত লড়াই করেছে, খেলোয়াড়দের কোনো গ্লানি-হতাশা কিছুই থাকা উচিত নয়।

মাশরাফি বিন মুর্তজা এটাই চেয়েছেন। ফাইনাল হারের যন্ত্রণা কিংবা তীরে এসে তরি ডোবার ঘটনা নেহাত কম নয়। অন্যবার যেটা হয়, বাংলাদেশ নিদারুণ ভেঙে পড়ে। মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে সময় লাগে অনেক। হতাশ হলেও এবার ভীষণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েনি দল, মাশরাফিকে এটিই আশাবাদী করছে, ‘অন্যবারের তুলনায় এবার তাদের (খেলোয়াড়দের) শক্ত দেখেছি। এটা ভালো দিক। সবাই শেষ পর্যন্ত লড়েছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জেতার ইচ্ছেটা ছিল। আমি কেন, ওদের নিজেদেরও এটা নিয়ে গর্ববোধ করা উচিত। সবাই উপলব্ধি করেছে কে কোথায় কী করতে পারত। এটা গুরুত্বপূর্ণ। (আমাদের) ক্রিকেট এগিয়ে যাবে, সামনে বড় বড় টুর্নামেন্ট আছে। সামনে বিশ্বকাপ আছে। বড় দুই-তিনটা সিরিজ আছে। চেষ্টা করব, এই ভুল সামনে যেন না হয়।’

চোটে পড়ে সাকিব আল হাসান ছিলেন না। ছিলেন না তামিম ইকবালও। দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড় থাকলে কি গল্পটা অন্যরকম হতে পারত? কল্পনা নয়, মাশরাফি বাস্তবতাটাই তুলে ধরলেন, ‘বলা খুব কঠিন। এর আগে (সাকিব-তামিম) ওরা থাকার পরও জিততে পারিনি (এশিয়া কাপ)। ওরা না থাকার পরও এবার যেভাবে লড়েছি এটা অনেক বড় ব্যাপার। সামনে ওরা যোগ হলে চিত্রটা অন্যরকম হতে পারে।’

বারবার স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণায় পুড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে। অধিনায়ক মাশরাফি, ব্যক্তি মাশরাফি কতটা হতাশ ব্যর্থতার এ পুনরাবৃত্তিতে? ‘একেবারে হতাশ নই। হতাশ হব সামনে যদি দলের ভেতর এই স্পিরিট না দেখতে পাই। যে মানসিকতা নিয়ে ছেলেরা খেলেছে, সামনে যদি এটা না দেখতে পাই, ভীষণ হতাশ হব’—মাশরাফির বার্তাটা পরিষ্কার, ছোট ছোট ভুলে আজ যে শিরোপা হাতছাড়া হচ্ছে ভবিষ্যতে যেন একই ভুলে বড় কোনো সুযোগ হাতছাড়া না হয়!

খেলাধুলাপ্রচ্ছদফুটবল এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথমেই স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদানের জন্য বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এজন্য চাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। স্বাস্থ্য খাতে কোনো প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ লক্ষ্যে কমিটির সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।শনিবার পিরোজপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ফারুক আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, ইউএনও সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর সিকদার, ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।এর আগে মন্ত্রী স্বরূপকাঠি পৌর গোরস্থান ও শ্মশান ঘাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে যোগ দেন।সেখানে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয় এমন কোন কাজ না করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।পরে মন্ত্রী জাতীয় সমবায় দিবসের র‌্যালিতে অংশ গ্রহণ করেন। সব শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘দলে থাকবেন আর দলের সিদ্ধান্ত বিরোধী কাজ করবেন, তা হবে না। অনুপ্রবেশকারীকে দলে স্থান দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনা রাত-দিন পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়ন করে চলছেন। এ ধারা অব্যহত রাখতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।’
৬ years ago