বাড়ছে মন্ত্রিসভার আকার, আসছে নতুন মুখ

লেখক:
প্রকাশ: ৪ ঘন্টা আগে

মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি সরকার। মন্ত্রণালয়গুলোর ওপর বাড়তে থাকা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপ কমানো, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও কর্মদক্ষতার বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, নতুন করে পাঁচ থেকে ছয়জনের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তিন থেকে চারজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় একজনকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি আরও দুজন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
তবে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ কবে নাগাদ হবে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, আগামী বাজেট অধিবেশনের আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
পিএমও-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, টেকনোক্র্যাট কোটায় নতুন মুখ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহিদুর রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য বি. এম. মোশাররফ হোসেনকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
একই সঙ্গে নোয়াখালী অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় সেখান থেকেও একজনকে মন্ত্রিসভায় আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র বলছে, বর্তমান মন্ত্রিসভার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস হতে পারে। একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব কমানো এবং একটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনাও রয়েছে। কিছু মন্ত্রণালয়ে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও কাজের ধীরগতির কারণে এমন সিদ্ধান্ত বিবেচনায় এসেছে। ইতোমধ্যে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে, যার ফলে তার দায়িত্ব কমানোর আলোচনা চলছে।
এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেও একজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। সেক্ষেত্রে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় থাকলেও তার বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি না হলে অন্য কোনো সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যকে আনা হতে পারে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নামও আলোচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তারকেও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে মুখ্য সচিব পদে নতুন নিয়োগ আসতে পারে।