ঢাকার আসনগুলোতে বিজয়ী হয়েছেন যারা

লেখক:
প্রকাশ: ৭ ঘন্টা আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মূল আকর্ষণ ঢাকার ২০ আসন।  এই আসনগুলোতে কোন, কোন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন, এক নজরে জেনে নিন।

ঢাকা-১ আসন: ঢাকা-১ আসনে (দোহার ও নবাবগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী আবু আশফাক। বিএনপি মনোনীত এই প্রার্থী পেয়েছেন এক লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট।

ঢাকা- ২ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আমান উল্লাহ আমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।

 

ঢাকা-৩ আসন: এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম। তিনি ৮২ হাজার ২৩২ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা-৪ আসন:  এই আসনে প্রাথমিক ফলাফলে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

ঢাকা-৫ আসন: এই আসনে প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন।

ঢাকা- ৬ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। ইশরাক হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন।

 

ঢাকা ৭ আসন: ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা ৮ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আলোচিত ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। আসনটির ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিতে সরাসরি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস কেন্দ্রে প্রাপ্ত ভোট পান ৫৬ হাজার ৫৫২টি।

 

ঢাকা ৯ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

ঢাকা-১১ আসন: এই প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ নাহিদ কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি  পেয়েছেন।

ঢাকা ১৩ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। ১৩৮ কেন্দ্র ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে ববি হাজ্জাজ ৯০৬০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ১১–দল সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬৮৮৯ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ৩৭১২।

ঢাকা- ১৪ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে (মিরপুর) বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ১১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।

ঢাকা-১৫ আসন: এই আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। জামায়াতের আমির মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।

ঢাকা ১৬ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন জয়ী হয়েছেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট। ফলে ২ হাজার ৬১৬ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।

ঢাকা ১৭ আসন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান (ধানের শীষ প্রতীক) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামানকে (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) ৫ হাজার ভোটে পরাজিত করেন তিনি।

ঢাকা-১৮ আসন: এই আসনে এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন। আর এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।

ঢাকা-১৯ আসন: বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

ঢাকা-২০ আসন: এই আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন। আসনটিতে মোট ১৪৭টি কেন্দ্রে মো. তমিজ উদ্দিন পেয়েছেন ১৬০৪২৮ টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী  নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬৩৪৩টি ভোট।

প্রচ্ছদবরিশাল এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
লাইফ সাপোর্টে থাকা অভিনেতা ও নির্মাতা হুমায়ূন সাধু মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। গণমাধ্যমকে ফারুকী বলেন, রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন হুমায়ূন সাধু। সেখানেই তার মৃত্যু হয় গত ২৯ সেপ্টেম্বর হুমায়ূন সাধুর প্রথম ব্রেন স্ট্রোক হয়। তখন তাকে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে ১৩ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এরপর তাকে বিদেশে নিয়ে অস্ত্রোপচারেরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০ অক্টোবর হঠাৎ সাধুর দ্বিতীয় ব্রেন স্ট্রোক হয়। এরপর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পথ চলা শুরু হুমায়ূন সাধুর। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটকও নির্মাণ করেছেন তিনি।
৬ years ago