জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো….জন্ম যদিও ধন্য হয়েছে তাঁর হয়েছেন একটি পতাকা জয়ের সাক্ষী নিজ হাতে লিখেছেন- বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র।
নয়ীম গহর। ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে যেমন ছিলেন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের বিশেষ দূত তেমনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বহন করেছেন বঙ্গবন্ধুর বিশেষ বার্তাও। তবে মুক্তিযোদ্ধা হয়েও সনদ না নেয়া এই মানুষটির বার্তা বহন করেছে কে কবে? কেউ কি রেখেছে খোঁজ তাঁর পরিবারের?
ভালো যে নেই তার সহধর্মিনী রিজিয়া গহর। জীবন পার করছেন নিদারুন অর্থসংকটে লড়ছেন মরণব্যাধী ক্যান্সারে। যদিও পাঁচ বছর আগে পার্থিব মায়া ত্যাগ করেছেন নয়ীম গহর তবে তিনিও কি চেয়েছিলেন স্বাধীন দেশে পরিবারের এমন মানবেতর জীবন?
যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ২০১৬ সালের নভেম্বরে নয়ীম গহরের পরিবারকে দেয়া হয় রাজউকের একটি প্লট বা ফ্ল্যাট। কিন্তু কাগজে কলমে সাড়ে তিন বছরেও তা পাননি বুঝে… রয়ে গেছে তা মৌখিক আশাতেই।
কথার পিঠে কথা গেঁথে তিনি যদিও লিখেছেন- নোঙ্গর তুলবার কথা, লিখেছেন সময় হবার কথা। সেই সুরেই যেনো লুকিয়ে মেয়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর উপহারটি যেন জীবদ্দশায় বুঝে পান তার মা।