পুরস্কার পেল দেশসেরা ৭৩ সৃজনশীল বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইন

লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago

দেশের সৃজনশীল বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইন শিল্পের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতির আয়োজন কমওয়ার্ডের সপ্তম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার ১৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭৩টি সৃজনশীল বাণিজ্যিক যোগাযোগ ও বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনকে পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

শনিবার ঢাকার লা মেরিডিয়েন হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিজয়ী বিজ্ঞাপন ও বিপণন সংস্থা এবং প্রোডাকশন হাউজগুলোকে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

গ্র্যান্ড প্রি, গোল্ড এবং সিলভার এ তিনটি স্তরে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বছর কমওয়ার্ডের মনোনয়ন হিসেবে বিজ্ঞাপন সংস্থা, প্রোডাকশন হাউজ এবং বিভিন্ন সংস্থার সৃজনশীল বিভাগ মিলিয়ে মোট ৪৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৩৫৫টি বিজ্ঞাপন জমা পড়ে। শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপন-বিপণন ও সৃজনশীল যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারক প্যানেল দিনব্যাপী এক সেশনের মাধ্যমে বিজয়ী ক্যাম্পেইনগুলোকে নির্বাচিত করেন। ১৭টি ক্যাম্পেইন গ্র্যান্ড প্রি, ৩৭টি ক্যাম্পেইন গোল্ড এবং ১৯টি ক্যাম্পেইন সিলভার পুরস্কার লাভ করে।

গতছর কমওয়ার্ডে সর্বমোট ২৫টি ক্যাটাগরি ছিল। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে এ বছর ১১টি ক্যাটাগরি বাদ এবং নতুন তিনটি ক্যাটাগরি সংযোগ করা হয়। নতুন তিনটি ক্যাটাগরি হলো- পি আর, বেস্ট ইউজ অফ আইডিয়া, এবং বেস্ট ক্যাম্পেইন বাই নিউ এজেন্সি।

এবার কমওয়ার্ডে সর্বাধিক পুরস্কার পায় গ্রামীণফোনের ‘একাত্তরের কথা’ বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনটি। এটি বেস্ট ইউজ অব আইডিয়াতে গ্র্যান্ড প্রি, আরডিসিতে গোল্ড এবং ডিরেকশন ফর টিভিসি ভিডিওতে গোল্ড পুরস্কার লাভ করে। এছাড়া ইন্টিগ্রেটেড ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে এশিয়াটিক মাইন্ডশেয়ার/এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির গ্রামীণফোনের ‘সপ্ন যাবে বাড়ি’ ক্যাম্পেইনটি গ্র্যান্ড প্রি পুরস্কার লাভ করে।

বিপণন ও বিজ্ঞাপন শিল্পসহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ওই একই ভ্যেনুতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম কমিউনিকেশন সামিট। কমিউনিকেশন সামিটে বিশ্ববরেণ্য তিনজন কি-নোট স্পিকার বক্তব্য দেন। এছাড়াও সামিটে দুটি প্যানেল আলোচনা, দুটি ওয়ার্কশপ, দুটি এজেন্সি কেইস স্টাডি এবং কানস লায়ন্সের বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন ছিল।

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সৌজন্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে কানস লায়ন্সের সঙ্গে অংশীদারিত্বে এ বছর কমওর্য়াড আয়োজতি হয় মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রজের সৌজন্যে। পৃষ্ঠপোষক ছিল দ্য ডেইলি স্টার।

এ আয়োজনে আরও ছিল –সিন্ডিকেট পার্টনার র্যাংস তোশিবা, ইভেন্ট পার্টনার লা মেরিডিয়েন, স্ট্র্যাটেজিক এলায়েন্স রোয়ারিং লায়ন্স, নলেজ পার্টনার মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ, এয়ারলাইন্স পার্টনার ইতিহাদ এয়ারওয়েজ, লাইফস্টাইল পার্টনার এডভান্স ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস, আইটি পার্টনার আমরা, পি আর পার্টনার মাস্টহেড পি আর, টিভি পার্টনার একাত্তর টিভি, রেডিও পার্টনার রেডিও টুডে, সোশ্যাল মিডিয়া পার্টনার ওয়েবেবল, অডিও ভিজুয়াল পার্টনার আতশ, ডিজিটাল কন্টেন্ট পার্টনার ফায়ারফ্লেম মিডিয়া, এবং ভিজুয়াল কন্টেন্ট পার্টনার তরুণ।

কানস লায়ন্সের সঙ্গে অংশীদারিত্বে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম ২০০৯ সাল থেকে এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।

আন্তর্জাতিকপ্রচ্ছদ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago