
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। বাস্তবায়নে কাঠামো গঠনের কাজ চলছে। প্রাইমারি হেলথকেয়ার সিস্টেমকে আরও সার্বজনীন করতে ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্য কর্মী থাকবেন।
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ নিয়ে ভাবতে হবে এবং কাজও করতে হবে। এ পর্যন্ত যা কিছু হয়নি তা দুর্নীতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। সঠিক তদারকি না করলে সব পরিকল্পনাই মেগা দুর্নীতির খাত হয়ে যেতে পারে। তাই পাইপলাইনিং করতে হবে, যাতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে সব কাজ সঠিকভাবে পরিচালিত করা সম্ভব হয়।
এম এ মুহিত আরও বলেন, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্যে রোগীরা পড়েন ভোগান্তিতে। আর সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা হাসপাতালে নিয়মিত থাকেন না। এসব নিয়েও সরকার কাজ করছে।