উচ্চ বেতনে চাকরি পেতে সিভিতে যে ৫ বিষয় থাকা দরকার

লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago

বেশি বেতনে চাকরি পেতে কে না চায়? কিন্তু যেখানে চাকরি পাওয়াই দুষ্কর সেখানে উচ্চ বেতনে চাকরি  কীভাবে পাওয়া যায়? উত্তরটি হলো চাকরির জন্য দেওয়া আপনার জীবন বৃত্তান্ত (সিভি) ।

সুইজারল্যান্ডে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (২০১৬) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ বেতনে চাকরি পাওয়ার জন্য আপনার জীবন বৃত্তান্তে থাকতে হবে পাঁচ দক্ষতার কথা।

তবে যেই পাঁচ দক্ষতার কথা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সেগুলো পাঠকদের সুবিধার্থে তুলে ধরা হলো :

জটিল চিন্তা : উচ্চ বেতনে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিল তথা যুক্তিশীল চিন্তা করার দক্ষতার কথা লিখা উচিত। যারা চাকরি দিচ্ছেন তাদের খুব ভালো পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করতে পারে এমন লোক দরকার হয়, যারা মুনাফা এবং কীভাবে তা দ্রুত বাড়ানো যায় তা বুঝতে পারে।

জটিল সমস্যার সমাধান : প্রতিবেদন অনুযায়ী শতকরা ৩৬ ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান জটিল সমস্যার সমাধান করার দক্ষতাকে প্রধান দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। কোনো জটিল সমস্যার সমাধান করার সময় চিন্তার ক্ষমতা থাকতে হবে আপনার মধ্যে।

সৃজনশীলতা : ২০১৫ সালে এটা ছিল তালিকার ১০ নম্বরে। কিন্তু এখন এটা প্রথম তিন দক্ষতার মধ্যে ভাবা হয়। নতুন প্রযুক্তি অসাধারণ, কিন্তু নতুন প্রযুক্তিকে আরো নতুন নতুনভাবে ব্যবহার করতে অর্থাৎ উপযোগিতা বাড়াতে সৃজনশীলতা প্রয়োজন। সৃজনশীলতার দক্ষতা থাকলে বাজারে চাহিদা তৈরি করা যায়, মানুষের আগ্রহ তৈরি করা যায়। ফলে সেই প্রযুক্তিও ব্যবহার দ্রুত ফুরায় না। তাই, উচ্চ বেতনে চাকরি পেতে সৃজনশীলতা জরুরি।

ভাবোদ্দীপক/আবেগি বুদ্ধিমত্তা : ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ভালো চাকরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এর জন্যে প্রয়োজন ভাবোদ্দীপক বুদ্ধিমত্তা বা ইমোশনাল ইনটেলিজেন্স। পেশাজীবী মানুষকে বুঝতে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে এই দক্ষতা আবশ্যক। রোবট আর যাই হোক অনুভূতি বুঝতে পারে না, তাই আসছে দিনে এটা মানুষের অন্যতম দক্ষতা বলে বিবেচিত হতে পারে।

দলগত দক্ষতা : দলের মধ্যে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা আরো জরুরি। একটা রোবটের মধ্যে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইনস্টল করা থাকলে সে করতে পারবে। কিন্তু মানুষ পারে দলগত কাজের মাধ্যমে একটা জটিল বিষয়কে আরো ভালোভাবে বুঝতে, ব্যাখ্যা করতে। সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় দলবদ্ধ হয়ে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই এই গুণ আপনাকে উচ্চ বেতনে চাকরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সবার চাইতে আলাদা সুবিধা দেবে।

জাতীয়প্রচ্ছদবরিশাল এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago