রাজাপুরে সবজি চাষাবাদে বদলেছে সাইদুলের ভাগ্য

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

ঝালকাঠিঃ ঝালকাঠির রাজাপুরের বড় কৈবর্তখালি গ্রামের মৃত আঃ আজিজের ছেলে কৃষক মোঃ সাইদুলের বেগুন ক্ষেত এখন ফুলে ফুলে ভরে গেছে। সাইদুল রোদে পুড়ে অনেক কষ্ট করে তৈরী করেছেন বেগুন ক্ষেত। বেগুনের গাছ গুলি বেশ মোটাতাজা এবং খুবই ভালো হয়েছে। সাইদুল আশায় বুক বেধে আছেন কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পোকা মাকড়ের আক্রমন না হলে প্রচুর ফলন পাবেন তিনি। বাজারে বেগুনের দামও ভালো এবং বর্তমান রমজানের ইফতারির বেগুনিতে তার বেগুনের চাহিদাও থাকবে বেশ ভালোই। তাই তিনি আশা করছেন বেগুন বিক্রি করেই তার ভাগ্য বদলে যেতে পারে।

বিগত ১০ বছরের অধিক সময় থেকে কৃষি কাজ করে জীবন যাপন করে আসছেন তিনি। তিনি ইতিমধ্যেই ভালো কৃষক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে তার নিজ এলাকায়। সরেজমিনে গিয়ে সাইদুলের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সে প্রায় ত্রিশ শতাংশ জমিতে কৃষি ক্ষেত তৈরী করেছেন। এতে বেগুন চাষের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসাবে আলু,শরীষা, ধনিয়া ও শসা চাষ করেছেন। ওই ক্ষেত থেকে এবছর তিনি লক্ষাধীক টাকা উপার্জন করতে পারবেন বলে আশাপ্রকাশ করছেন।

তিনি আরো বলেন, আগে আমি অল্প জায়গায় সবজি চাষ করতাম, বেশীর ভাগ জমিতে ধানচাষ করতাম। কিন্তু সবজি চাষ করে অল্প সময় বেশী অর্থ উপার্জন করা যায়। তাই আমি এবছর বেশী জমিতে কৃষি চাষ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি রাজাপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কোন ধরনের কৃষি সহয়তা পাইনা। আমি ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে এই পেশায় জড়িত আছি। কৃষি অফিস থেকে সার, বীজ ও পরামর্শ পেলে আমার কৃষি দিয়ে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে এলাকার বাইরেও সরবরাহ করতে পারবো।

এ বিষয় উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল্লাহ বাহাদুর বলেন, ওই কৃষক আমাদের অফিসে যোগাযোগ করলে সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে। আমরা সার্বিক সহযোগিতা সহ খোজ নিবো।

জাতীয়প্রচ্ছদবরিশাল এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago