যুদ্ধ পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
রবিবার (৩ মে) সকালে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত দিনে দেশ ছিল আমদানিনির্ভর। আমরা সেই নির্ভরতা কমিয়ে আনতে কাজ করছি।”
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে জনরায়ের সঠিক প্রতিফলন হয় নির্বাচনে তা প্রমাণ হয়েছে।’
জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি পদকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।”
সুশাসনকে সরকারের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দলমত নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
বাজার নিয়ন্ত্রণে ডিসিদের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইচ্ছেমতো নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো, সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট রোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করতে হবে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত ও দৃশ্যমান করুন।”
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিভিন্ন সেক্টর চিহ্নিত করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার কাজ শুরু করেছে।
জুলাই সনদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনি ইশতেহার ও জুলাই সনদের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।”
চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন চলবে আগামী ৬ মে পর্যন্ত। সম্মেলনে আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিরা অংশ নিয়েছেন।
