সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শূন্যপদে ২ হাজার ১৫৫ জন শিক্ষককে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, এদিন পিএসসিতে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় এই ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল আজ (২৯ ডিসেম্বর) পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
সভা শেষে পিএসসির একজন সদস্য বলেন, মাধ্যমিক স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদে ২ হাজার ১৫৫ জন নিয়োগ পাচ্ছেন। আর ৩৮তম বিসিএস থেকে ৪৪৩ জনকে নন-ক্যাডারে (১ম শ্রেণির পদ) নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
দেশের ৩১৯ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট আছে। সর্বশেষ ২০১১ সালে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এরপর থেকে বিসিএসের নন-ক্যাডারদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছিল। তবে বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে স্কুলগুলোর জন্য বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছিল না। এছাড়া বিসিএসের নন-ক্যাডার থেকে যারা শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়ে আসেন, তাদের বেশিরভাগই পরে অন্য চাকরিতে চলে যান। এতে বিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক সঙ্কট থেকেই যায়।
পরে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে লিখিত পরীক্ষা হয়। এই বছরের নভেম্বরে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। চলতি বছর মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। এখন লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করে তাদের নিয়োগ দিতে সুপারিশ করবে পিএসসি।