বেঁচে আছে না মারা গেছে জানা যায়নি। তবে জানতে পেরেছেন বিধ্বস্ত হওয়া বিমানে যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন নিজের ছেলে পিয়াস রায়। আর এতেই শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন পিয়াসের বাবা-মা।
পিয়াস বরিশাল নগরীর মথুরানাথ পাবলিক স্কুল সংলগ্ন গফুর সড়কের বাসিন্দা ও গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র। এছাড়া সে কলেজ ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।
পিয়াসের মা বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্কুলের শিক্ষিকা পূর্না রানী রায় জানান, সুরভী-৭ লঞ্চে করে বরিশাল থেকে ঢাকায় গিয়েছিল পিয়াস। শেষ কথা হয়েছে বিমানে ওঠার আগে। এরপর আর কোনো কথা হয়নি। এ কথা বলেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মা পূর্না রানী।
পিয়াসের ছোট বোন বরিশাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজী বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী শুভ্রা রায় জানান, ও যে বিমানে ছিল সেটাই বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে মারা যাওয়াটা নিশ্চিত হতে পারিনি।
কান্না জড়িত কন্ঠে বিমান যাত্রী পিয়াস রায়ের বাবা ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চন্দ্রকান্দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুখেন্দ্র কুমার বিশ্বাস রায় বলেন, টিভিতে দেখেছি ছেলের ছবি। মনে হয় পিয়াস আর নেই।
গফুর সড়কস্থ মধুকাঠি ভবনের পিয়াসের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে পরিবারের সদস্যদের আহাজারী আর আর্তনাদ।