বৈশাখ মানেই নতুন বছরের আনন্দ। নানারকম মুখরোচক খাবার আর রঙিন পোশাক পরে মেলায় ঘুরে বেড়ানো। নববর্ষের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে ঘরেই তৈরি করুন মজার সব খাবার। সকালের পান্তার সঙ্গে খেতে পারেন এমন তিনটি রেসিপি রইলো-
লাউশাক ভর্তা
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ, সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালি: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার নারকেল কোড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি করুন।
আম-ডাল
উপকরণ: মসুর ডাল ২৫০ গ্রাম, কাঁচা আম ২টা, জিরা ১ চা-চামচ, তেজপাতা ২টা, কাঁচা মরিচ ৫টা, হলুদ আধা চা-চামচ, শুকনো মরিচ ৫টা, তেল ও লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: কাঁচা আম আগে হালকা ভাপ দিয়ে নিন। এবার ডাল ধুয়ে সেদ্ধ করুন। আলাদা পাত্রে তেল গরম করে সরিষা, শুকনা মরিচ, তেজপাতা ও পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিন। এবার সেদ্ধ ডাল সেই পাত্রে ঢেলে দিন। বলক উঠলে কাঁচা আমগুলো দিয়ে অল্প সময় রেখে নামিয়ে নিন।
টাকি মাছের ভর্তা
উপকরণ: টাকি মাছ ১ কাপ, পেঁয়াজ স্লাইস ৩ টেবিল চামচ, আদা রসুন, বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ পাতা ২ টেবিল চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, রসুন মিহি ২ টেবিল চা, ধনে বাটা ১ চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, হলুদ বাটা ১/২ চা চামচ, মরিচ বাটা ১ /২ চা চামচ।
প্রণালি: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নিন। তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষান। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়ুন। মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজুন। লবণ দিন। মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামান। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়। এরপর চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।