বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন থালাপতি বিজয়

লেখক:
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এক মহাসমাবেশে নিজের দলের শক্তি প্রদর্শন করেছেন তামিলাগা ভেত্রি কাজগাম (টিভিকে) প্রধান এবং অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। 

এদিন সমাবেশে সরাসরি ঘোষণায়, বিজয় তার দলের একমাত্র আদর্শগত শত্রু বলে বিজেপিকে চিহ্নিত করেছেন। একইসঙ্গে ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে ও বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন তিনি।

সমাবেশে হাজারো সমর্থকের সামনে বিজয় বলেন, ‌‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু হচ্ছে বিজেপি। আর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকে। তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম কোনো মাফিয়া গোষ্ঠী নয় বরং এটা এমন একটি শক্তি, যারা কোনো দলে ভয় পায় না। আজ আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি।’

বিজয়ের ভাষায়, এই লড়াই শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতার নয়, আদর্শেরও। তিনি বলেন, ‘তামিলরা কখনোই বিজেপির পাশে থাকবে না। যেমন পদ্মপাতায় জল স্থায়ী হয় না, তেমনি তামিলদের সম্পর্কও বিজেপির সঙ্গে টিকবে না।’

অভিনেতা আরও বলেন, সিংহ জানে কিভাবে ভিড়ের মধ্যে আবার কিভাবে একা থাকতে হয়। সে কখনো ভয় পায় না। সিংহ কেবল শিকারের জন্যই বেরোয়, বিনোদনের জন্য নয়। আর সিংহ কখনও মৃত শিকার খায় না।

এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন— “এনইইটি বাতিল করুন! পারবেন কি, নরেন্দ্র মোদি? আপনার একগুঁয়েমির কারণে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা ভুগছে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয় বর্তমানে তামিল রাজনীতিতে একটি তৃতীয় শক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। ক্ষমতাসীন ডিএমকে ও বিরোধী এআইএডিএমকে-র বাইরে নতুন রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে নিজেকে এবং তার দলকে তুলে ধরতে চাইছেন তিনি।

২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন থালাপতি বিজয়। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন হতে যাচ্ছে তার প্রথম বড় নির্বাচন। মাদুরাইয়ের সম্মেলন ছিল সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের সবচেয়ে বড় শোডাউনগুলোর একটি।

বিজয় এ নির্বাচনী লড়াইকে তুলনা করেছেন তামিল রাজনীতির দুই ঐতিহাসিক বছর ১৯৬৭ ও ১৯৭৭-এর সঙ্গে।তিনি বলেন— “২০২৬ সালেও ঘটবে ১৯৬৭ আর ১৯৭৭-এর মতো এক রাজনৈতিক জাদু। নতুন শক্তি উঠে আসবে।”

জাতীয়প্রচ্ছদ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথমেই স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদানের জন্য বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এজন্য চাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। স্বাস্থ্য খাতে কোনো প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ লক্ষ্যে কমিটির সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।শনিবার পিরোজপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ফারুক আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, ইউএনও সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর সিকদার, ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।এর আগে মন্ত্রী স্বরূপকাঠি পৌর গোরস্থান ও শ্মশান ঘাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে যোগ দেন।সেখানে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয় এমন কোন কাজ না করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।পরে মন্ত্রী জাতীয় সমবায় দিবসের র‌্যালিতে অংশ গ্রহণ করেন। সব শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘দলে থাকবেন আর দলের সিদ্ধান্ত বিরোধী কাজ করবেন, তা হবে না। অনুপ্রবেশকারীকে দলে স্থান দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনা রাত-দিন পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়ন করে চলছেন। এ ধারা অব্যহত রাখতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।’
৬ years ago