জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা মুন্সীগঞ্জের কৃতি সন্তান টেলি সামাদ বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। রবিবার বাদ আছর মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ নয়াগাঁও এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে এই গুণী অভিনেতাকে দাফন করা হয়।
এদিন বিকাল ৩ টার দিকে নয়াগাঁও এলাকার প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে লাশ বাহী গাড়ি আনা হলে তাকে দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমায়। এরপর বিকাল ৫ টার দিকে কলেজ মাঠে তার নামাজের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন টেলি সামাদ।
টেলি সামাদকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে আসেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিছ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মতিউল ইসলাম হিরো ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন জাকির প্রমুখ।
রবিবার বিকাল ৫ টার দিকে গ্রামের বাড়িতে টেলি সামাদের শেষে জানাজা।
শনিবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদ। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। ব্যক্তি জীবনে তিনি চার সন্তানের জনক।
শনিবার বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাদ এশা পশ্চিম রাজারবাজার মসজিদ এবং রাত সাড়ে ১০টায় মগবাজারের দিলু রোডে তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।
এফডিসিতে টেলি সামাদের জানাজা। ছবি: সংগৃহীত
রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তার চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এফডিসিতে। এ সময় জানাজায় উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, এমপি ও চিত্রনায়ক আকবর পাঠান ফারুক, আলমগীর, জায়েদ খান, মুশফিকুর রহমান গুলজার, অমিত হাসান, সম্রাট, আলীরাজ, ফকির আলমগীর প্রমুখ। সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় টেলি সামাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে।
১৯৪৫ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন টেলি সামাদ। টিভি, চলচ্চিত্রও মঞ্চে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা এবং গানের জগতেও তা র অবাদ বিচরণ। ‘মনা পাগলা’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি। আর চার দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে টেলি সামাদ অভিনয় করেছেন ৬ শতাধিক সিনেমাতে।