বরিশাল রেঞ্জর শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার ভোলা জেলার সরকার মোহাম্মদ কায়সার

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

শামীম আহমেদ ॥ বরিশাল রেঞ্জর জুন মাসের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হলেন ভোলা জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই)সকাল ১০ টায় বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জুন মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বরিশাল রেঞ্জাধীন সকল ইউনিটের কর্মদক্ষতা ও পুলিশি কার্যক্রমের সাফল্যের বিবেচনায় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পুরুষ্কার প্রদান করা হয়, এর মধ্যে ভোলা জেলা পুলিশ চারটি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব¡ অর্জন করেন।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রেঞ্জাধীন জেলা সমূহের মধ্যে ভোলা জেলার মাদক উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল, বিট পুলিশিং কার্যক্রম, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রন ও স্বাভবিক রাখা, সকল শ্রেনীর পেশার জনসাধারনকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক নিরাপত্তাকে নিশ্চিত ও জনসাধারনের আস্থা নিয়ে আইনী কার্যক্রমকে গতিশীল করা ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করা, জেলা পুলিশের সকল সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করে একটি টিম হিসেবে সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে সকল ধরনের পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্পাদনে বিশেষ নেতৃত্বদান সহ বিভিন্ন সূচকে কর্মদক্ষতা ও কর্মক্ষমতা প্রদ র্শণ এবং আইন শৃংঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করায় ভোলা জেলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এছাড়াও ভোলা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মহসিন আল ফারুককে বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার, ভোলা ট্রাফিক বিভাগকে রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক বিভাগ এবং ভোলা সদর মডেল থানার এসআই (নিঃ) মোঃ জসিম উদ্দিনকে বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

তাদের এ সফলতায় সকলের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এ কে এম এহসান উল্লাহ সহ রেঞ্জাধীন সকল জেলার পুলিশ সুপার এবং রেঞ্জ অফিসের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আইন শৃংখলা বাহিনীজাতীয়দূর্ঘটনাপ্রচ্ছদ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago