বরিশালে হারিয়ে যাচ্ছে ছাতা মেরামতের কারিগর

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

ছাতার ব্যবহার এক দিনেই হয়ে উঠে নি। মানব সৃষ্টির শুরুর দিকে মানুষ কচু শাকের পাতা আর কলা গাছের পাতা দিয়ে ছাতার কাজ চালাতো।

 

বৃষ্টি আর প্রচণ্ড রোদ হলেই প্রয়োজন হয় ছাতার। ঝমঝম আর টিপটিপ বৃষ্টি যেটাই বলেন, বৃষ্টিতে ছাতার কোনো জুড়ি নাই।

 

একসময় দেখা যেতো গ্রামে গ্রামে ফেরী করে ছাতা মেরামত করতে আসতো কারিগররা। আর মুহূর্তেই অস্থায়ী এই দোকানগুলোতে থাকতো উপচে পড়া ভিড়। এই পেশাতে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করত।

 

কিন্ত সভ্যতার বিকাশের মাধ্যমে আজ আর চোখেই পরে না ছাতা মেরামত কারিগরদের। যেন পেশাটি বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে।

বরিশাল নগরীর জেলা পরিষদ পুকুর পাড় জুরে বসতো ছাতা মেরামতের কারিগররা।শুধু জেলা পরিষদ পুকুর পাড়েই নয় বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থানে দেখা যেত ছাতা মেরামত কারিগরদের। বর্ষা আসলেই ছাতা মেরামত কারিগরদের মুখে হাসি ফুটতো কিন্তু এখন নেই সেই ছাতা মেরামত কারিগর।

 

কথা হয় ছাতা মেরামতকারী কাঞ্চন আলীর সাথে তিনি বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ছাতা মেরামত করেন। হরেকরকমের ভাঙ্গা ছাতা মেরামত করেন তিনি। আর কাজ বুঝে বেশ দামও নিচ্ছেন।

 

কথা হয় ছাতা মেরামত করতে আসা রফিকুল ইসলামের সাথে তিনি বলেন, ছোটবেলায় দেখতাম মোড়ে মোড়ে ছাতা মেরামতের মিস্ত্রি পাওয়া যেতো। কিন্ত এখন আর ছাতা মিস্ত্রিদের চোখেই পড়ে না। তাছাড়া, ছাতা মেরামত করতে যে টাকা লাগে, তার সাথে কিছু টাকা দিয়ে নতুন ছাতা কেনা যায়।

যেখানে আগে বরিশাল নগরীর মোরে মোরে ছাতা মেরামত করার কারিগর পাওয়া যেত, সেখানে বিভিন্ন এলাকা ঘুরলেও একজন ছাতা মেরামত করার কারিগর পাওয়া যায়। দিন যত যাচ্ছে ততই বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে এই পেশা।