ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী গাড়ির চাপ লেগেই আছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়ও ঢাকার শনির আখড়া থেকে দাউদকান্দির গোমতী সেতুর কাছাকাছি প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে।
গত রোবাবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া মহাসড়কের এ অংশের যানজটের ৫ম দিন অতিবাহিত হল বৃহস্পতিবার। তবে ঢাকামুখী কুমিল্লার দাউদকান্দি অংশে যানজট একেবারেই কমে এসেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মহাসড়কের দাউদকান্দির বলদাখাল থেকে সেতু পর্যন্ত ঢাকামুখে ২-৩ কিলোমিটার যানজট ছিল।
পুলিশ সার্জেন্ট মো: আবু নোমান জানান, ঢাকামুখী দাউদকান্দির অংশে গাড়ির চাপ কমলেও চট্টগ্রামমুখী বিপরীত অংশে মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া যানজট এখনও লেগেই আছে।
তিনি জানান, জেলা ও হাইওয়ে পুলিশ রাতদিন যানজট নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রমজানকে সামনে রেখে পণ্য পরিবহন অস্বাভাবিক বেড়েছে। পণ্যবাহী যানগুলো সাধারণত ধীরগতিতে চলাচল করে।
সার্জেন্ট আবু নোমান বলেন, কাঁচপুর সেতু চার লেন হলেও মেঘনা ও গোমতী সেতু দুই লেনের। আর মহাসড়ক চার লেনের। চার লেনে চলাচলকারী গাড়িগুলো মেঘনা ও গোমতী সেতুর কাছে এসে ভিড় করছে। এ থেকেই মূলত যানজট বাড়ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সামিয়া রহমান জানান, তিনি বুধবার দাউদকান্দির যানজটে আটকে কুমিল্লা ফিরে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মেঘনা গিয়ে পৌঁছাতেই ৭ ঘন্টা লেগেছে।
দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ বাড়ায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী যানজট স্বাভাবিক হতে আরও এক-দুইদিন সময় লাগতে পারে।
এদিকে দাউদকান্দিতে পণ্যবাহী যানবাহনের ওজন মাপতে প্রতিটির জন্য ১০-১৫ মিনিট সময় লাগে। বৃহস্পতিবার দাউদকান্দি অংশের যানজট মূলত সে কারণেই লেগেছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী ফতেহপুর ওভারপাস এলাকায় যানজট তীব্র হয়। রোববার ওই যানজট কমতে শুরু করে। আর ওইদিন গভীর রাত থেকেই কুমিল্লা দাউদকান্দি অংশে যানজট তীব্র হতে শুরু করে।