পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক পাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩ জন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ নিজ অনুষদের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ এ স্বর্ণপদক প্রদান করবেন।

মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন; কৃষি অনুষদের কামরুজ্জামান রানা, নাসরিন পারভিন, তানজিলা আহমেদ, মিতু সমাদ্দার, নাজমুল হাসান মেহেদী, শেখর মন্ডল, আনিসুর রহমান, পর্না দাস, হাবিবা জান্নাত মীম, শারমিন সুলতানা।

এএনএসভিএম অনুষদের ভেটেরিনারি মেডিসিনের আহসান উল্ল্যাহ মানিক, ফাহমিদা আফরোজ, আল ইমরান, মোস্তাফিজুর রহমান, সাইদুজ্জামান রনি, এস এম হানিফ, সাবরিনা বিনতে আলমগীর, মো. সোহাগ, প্রীতি কুমারী চৌধুরী, শম্পা রানী, মিজানুর রহমান।

এএনএসভিএম অনুষদের পশু পালনের মাহবুবা সুলতানা, মৌমিতা সাহা, সানজিদা মুনমুন, সানজিতা রানী পাল। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের আফজাল হোসেন, মাওয়া সিদ্দিকা, রাশেদুজ্জামান, নুসরাত বিনতে নূর, শ্রাবনী সরকার, মাকসুদুল ইসলাম।

ব্যবসায় প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা অনুষদের নাদিরা আফরোজ, শেখ রাশেদ আল ইমরান, জাকারিয়া আরেফিন, দিবাকর চন্দ্র দাস, ইসরাত জাহান, সাব্বির হোসাইন, শেখ নাজমুন নাহার, ইয়াসমিন আক্তার, আল ইমরান, শরিফুল ইসলাম।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের শোহাদা শারমিন, নাইমুর রহমান, সজল সাহা, তানিয়া ইসলাম, স্বর্ণা মজুমদার, মইনুল ইসলাম সাঈদ, মতিউর রহমান, ফারজানা সুলতানা মিম, আতিকুর রহমান, মানীষ সাহ্।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান অনুষদের পূজা কুমারী চৌধুরী, সুমাইয়া সাহরিন, শারমিন আক্তার, মো.হাসিব। মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের সুপ্রকাশ চাকমা, আমিনুল ইসলাম, মীর মোহাম্মদ আলী, ইসরাত জাহান মিলি, নিউটন সাহা, মো.সোলাইমান, প্রান্ত সাহা ও ঋতুপর্ণা দাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ ৬৩ কৃতি শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

জাতীয়প্রচ্ছদবরিশাল এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৭ years ago