নিহত সেনা সদস্য হাবিবুর রহমানের বাড়িতে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি আক্তারুজ্জামান

:
: ২ years ago

গত দুই দিনেও জেলার কোন রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসনের কোন কর্মকর্তা নিহত সেনা সদস্য হাবিবুর রহমানের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে যায়নি। নিহত সেনা সদস্যর জানাজা কিংবা দাফনেও তাদের উপস্থিতি চোখে পরেনি। তবে শনিবার রাত ১০ টার দিকে পাল্টে যায় সেই চিত্র। বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান হঠাৎ করেই ফুল ফল নিয়ে হাজির হন নিহত সেনা সদস্য হাবিবুর রহমানের বাড়িতে।

 

হাবিবুর রহমানের বাড়ি সেনা নিকেতনে প্রবেশ করেই হাবিবুর রহমানের দুই পুত্রকে বুকে জরিয়ে ধরে সমবেনা প্রকাশ করেন ডিআউজি। এ সময় এক আবেগ ঘন পরিবেশ তৈরী হয়। দুই সন্তানকে সান্তনা দিয়ে ডিআউজি বলেন, ‘তোমনা একজন শহীদের সন্তান। জাতি তোমাদের এই ত্যাগ শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ রাখবে।’ পরে নিহত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাবিবুর রহমানের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। শ্রদ্ধা জানানোর শেষে দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এ সময় পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোহম্মদ মাহফুজুর রহমান, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান সহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

দোয়া মোনাজাত শেষে বিভিন্ন ধরনের ফল নিয়ে নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা,মা , পরিবারের অনান্য সদস্যদের সমবেদনা প্রকাশ করেন ও তাদের সাথে কথা বলেন। এ সময় নিহত হাবিবুর রহমানকে দেশের একজন সূর্য সন্তান হিসেবে অবিহিত করেন ডিআইজি।

 

উল্লেখ্য গত বুধবার রাতে বান্দরবানের রুমার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে সেনাবাহিনীর সাথে জেএসএস সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলিতে নিহত হন সেনা বাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাবিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে জানাজা ও রাষ্ট্রিয় সন্মান জানিয়ে তাকে বাড়ির আঙ্গিনায় তাকে দাফন করা হয়। হাবিবুর রহমানের পৈত্রিক বাড়ি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে হলেও পটুয়াখালী শহরের ১নং ওয়ার্ড এর বহালগাছিয়ায় তিনি বাড়ি করে স্থায়ি ভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতেন।