কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচলকারী পর্যটকবাহী দুটি জাহাজকে শনিবার সকালে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জাহাজ দুটি হলো, এলসিটি কুতুবদিয়া ও এসটি খিজির-৮।ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী তোলার অভিযোগে জাহাজ দুটিকে জরিমানা করা হয়। এসময় জাহাজ দুটি থেকে প্রায় দেড় শতাধিক পর্যটককে নামিয়ে আনা হয়।
টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট থেকে জাহাজ দুটি যাত্রী তুলে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে। এ সময় ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী তোলার খবর পেয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমার ভ্রাম্যমাণ আদালত টেকনাফ দমদমিয়া জাহাজ ঘাটে অভিযান পরিচালনা করেন।
সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে আসা পর্যটক আবদুল আওয়াল বলেন, জাহাজের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী ওঠানোর ফলে জাহাজে উঠে চেয়ারে বসা তো দূরের কথা, ঠাসাঠাসি করে দাঁড়ানোরও জায়গা না পেয়ে অবাক হন অনেক পর্যটকেরা। তার উপর ধারণ ক্ষমতার বেশি টিকেট বিক্রি করায় নিধারিত সময়ের জাহাজ সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা দিতেও বিলম্ব হয়। ফলে পযর্টকরা সেন্ট মার্টিনে ঘুরার সময় কম পায়।
টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমা বলেন, টেকনাফে সেন্ট মার্টিন নৌপথে চলাচলকারী কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, গ্রিনলাইন-১, এমভি পরিজাত, এসটি শহীদ সুকান্ত বাবু, এলসিটি কুতুবদিয়া ও এসটি খিজির-৮ সহ সাতটি জাহাজে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দায়ে এলসিটি কুতুবদিয়া ও এসটি খিজির-৮ পর্যটকবাহী জাহাজ কর্তৃপক্ষে কাছ থেকে এক লাখ টাকা করে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।টেকনাফ উপজেলা ইউএনও মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, সব জাহাজকে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। আজ দুটি জাহাজ থেকে এক লাখ টাকা করে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় হয়।