তিনি বলেন, এশিয়া ও ইউরোপের পার্লামেন্ট সদস্যগণ সংসদীয় কূটনীতি চর্চার মাধ্যমে জলবায়ু পরিার্তনের ঝুঁকি নিরসনে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পেয়েছে এ সম্মেলনের মাধ্যমে। জনগণের ইতিবাচক পরিবর্তন ও জীবন রক্ষার জন্য সকল সংসদ সদস্যগণকে অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাসে সোচ্চার হতে হবে।
আজ শুক্রবার ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে দশম এশিয়া-ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টারি পার্টনারশিপ মিটিং (আসেপ-১০)-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে কো-চেয়ার হিসেবে বক্তৃতাকালে স্পিকার এ সব কথা বলেন। আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।
এর আগে তিনি ‘এশিয়া এন্ড ইউরোপ ফেসিং ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ এন্ড ইনক্রিজিং এনভায়রনমেন্টাল চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক সেশনে কিনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
স্পিকার বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিকে উন্নত ও স্থিতিশীল রাখার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবগুলোকে বিবেচনায় রেখে নীতি ও কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য-শস্য, প্রাণি ও মৎস্য সম্পদ খাতগুলোতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। এছাড়া বন্যা, সাইক্লোন ও অতিরিক্ত লবনাক্ততা ভূমিকে অনুর্বর করছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধা সৃষ্টি করছে। বাসস।