ক্লাব বিশ্বকাপের হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। এবার ক্লাব বিশ্বকাপে জিতলো হ্যাটট্রিক শিরোপা। সান্তিয়াগো সোলারির অধীনে প্রথমবারের মত কোন শিরোপার মুকুট জিতলো সার্জিও রামোসের দল। ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে এশিয়ার ক্লাব আল আইনকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো রিয়াল মাদ্রিদ।

শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই রিয়াল মাদ্রিদের আধিপত্য ছিল চোখে লাগার মতো। ৩ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু ভাস্কুয়েজের শট আল আইন ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে পোস্টে লেগে কর্নার হলে এ যাত্রায় রক্ষা পায় তারা।

১২ মিনিটে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে রিয়ালকে রক্ষা করেন সার্জিও রামোস। এল শাহাতের শট একদম গোল লাইন থেকে ক্লিয়ার করেন রিয়াল ডিফেন্ডার সার্জিও রামোস। তবে এর ঠিক দু মিনিট পরেই রিয়ালকে স্বস্তির লিড এনে দেন বর্ষসেরা ফুটবলার লুকা মদ্রিচ।

১৪ মিনিটে করিম বেনজেমার ক্রস থেকে দারুণ গোলে রিয়ালকে এগিয়ে দেন এই ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলার। প্রথমার্ধে আরো গোটা কয়েক গোলের সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল, কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সোলারির দল।

বিরতি থেকে ফিরে ৬০ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী দলটি। রিয়াল মিডফিল্ডার লরেন্তে ২০ গজ দূর থেকে দূরপাল্লার নেওয়া হাফ ভলি শটে নজরকাড়া এক গোল করে রিয়ালকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

৭৮ মিনিটে রিয়ালের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক সার্জিও রামোস। লুকা মদ্রিচের ক্রসে রামোসের হেড খুঁজে পায় গোলের নিশানা। দলকে দারুণ নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ফাইনালেও গোল করলেন এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার।

৮৬ মিনিটে আল আইনের হয়ে সান্ত্বনাসূচক একটি গোল করেন শিওতানি। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ইয়াহিয়া নাদের নিজেদের জালেই বল জড়ালে ৪-১ গোলের বড় পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় আল আইনকে, আর রিয়াল পায় রেকর্ড চতুর্থ ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ। এই ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের ফলে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৫টি ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন রিয়াল মিডফিল্ডার টনি ক্রুস।

অপরাধজাতীয়প্রচ্ছদবরিশাল এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
লাইফ সাপোর্টে থাকা অভিনেতা ও নির্মাতা হুমায়ূন সাধু মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। গণমাধ্যমকে ফারুকী বলেন, রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন হুমায়ূন সাধু। সেখানেই তার মৃত্যু হয় গত ২৯ সেপ্টেম্বর হুমায়ূন সাধুর প্রথম ব্রেন স্ট্রোক হয়। তখন তাকে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে ১৩ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এরপর তাকে বিদেশে নিয়ে অস্ত্রোপচারেরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০ অক্টোবর হঠাৎ সাধুর দ্বিতীয় ব্রেন স্ট্রোক হয়। এরপর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পথ চলা শুরু হুমায়ূন সাধুর। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটকও নির্মাণ করেছেন তিনি।
৫ years ago