আয় বেড়েছে স্মার্টফোন হুয়াওয়ে

লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের ব্যবসায়িক আয় প্রকাশ করেছে হুয়াওয়ে। এ বছরের প্রথম ছয় মাসের বিক্রিত পণ্য থেকে ১০৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন চাইনিজ ইয়েন আয় করেছে হুয়াওয়ে যা গত বছরের তুলনায় ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি গত বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি স্মার্টফোন রফতানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি যার পরিমাণ ৭৩ দশমিক ০১ মিলিয়ন।

হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড ইউ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপি সংশ্লিষ্ট খাত ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোনের বাজারে সবাইকে পেছনে ফেলে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি করেছে আমাদের কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপ। এ অব্যাহত প্রবৃদ্ধিই হচ্ছে ব্র্যান্ড হিসেবে হুয়াওয়ে যে শক্ত অবস্থানে আছে এবং গ্রাহকদের জন্য প্রিমিয়াম ও বাজারে নতুন ডিভাইস নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রগামী ভূমিকা রাখছে তারই প্রমাণ।’

ইন্টারন্যাশনাল ডাটা কর্পোরেশনের (আইডিসি) তথ্য মতে, ২০১৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে স্মার্টফোনের বিশ্ববাজারে হুয়াওয়ের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ৯ দশমিক৮ ভাগ। উল্লেখযোগ্য হারে মধ্যম ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোন বিক্রির মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে হুয়াওয়ে। বৃহত্তর চীনের মোট স্মার্টফোন বাজারের ২২ দশমিক ১ শতাংশ দখল করে আছে হুয়াওয়ে এবং গত বছরের তুলনায় রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪ শতাংশ। রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে ইউরোপে। ইউরোপে স্মার্টফোন রফতানি গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮ শতাংশ।

পাশাপাশি মধ্য, পূর্ব এবং নর্ডিক ইউরোপেও হুয়াওয়ে স্মার্টফোনের রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া এশিয়ার বাজার যেমন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপ। রাশিয়াতেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে চোখে পড়ার মতো। জিএফকে ও সিনোর গবেষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত চীনের বাজারে অনলাইন স্মার্টফোন বিক্রির তালিকা ও আয়ের দিক থেকে হুয়াওয়ের অনার ব্র্যান্ডটি শীর্ষে রয়েছে।

২০১৭ সালে ব্র্যান্ডজি-এর তালিকায় সেরা ১০০ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষমতাধর ব্র্যান্ড হিসেবে ৪৯তম স্থানে রয়েছে হুয়াওয়ে। ফোর্বসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্র্যান্ডের তালিকায় ৮৮তম এবং ব্র্যান্ড ফিন্যান্স গ্লোবালের সেরা ৫০০টি ব্র্যান্ডের তালিকায় ৪০তম স্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথমেই স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদানের জন্য বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এজন্য চাই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। স্বাস্থ্য খাতে কোনো প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ লক্ষ্যে কমিটির সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।শনিবার পিরোজপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ফারুক আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, ইউএনও সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর সিকদার, ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।এর আগে মন্ত্রী স্বরূপকাঠি পৌর গোরস্থান ও শ্মশান ঘাটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে যোগ দেন।সেখানে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয় এমন কোন কাজ না করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।পরে মন্ত্রী জাতীয় সমবায় দিবসের র‌্যালিতে অংশ গ্রহণ করেন। সব শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘দলে থাকবেন আর দলের সিদ্ধান্ত বিরোধী কাজ করবেন, তা হবে না। অনুপ্রবেশকারীকে দলে স্থান দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনা রাত-দিন পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়ন করে চলছেন। এ ধারা অব্যহত রাখতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।’
৬ years ago