হারের দায় রেফারিদের দিলেন জাভি

লেখক:
প্রকাশ: ২ years ago

বড় হোঁচট খেয়ে লা লিগা মিশন শুরু করেছে বার্সেলোনা। গেল মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের তলানির দিকে থাকা গাতাফের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। হারের পাশাপাশি বার্সেলোনা কোচ জাভি হার্নান্দেজ ও মিডফিল্ডার রাফিনিয়াকে দেখতে হয় লাল কার্ড।

 

ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে রেফারিদের পক্ষপাতিত্বকে দায় দিয়েছেন বার্সা কোচ। সরাসরিই তিনি দাবি করেছেন গেতাফেকে অনেক বিষয়ে ছাড় দিয়েছেন রেফারি ও ম্যাচ অফিশিয়ালরা। অপরদিকে বার্সার প্রতি সম্পূর্ণ বিপরীতরূপ প্রদর্শন করেন তারা।

 

৩৮ মিনিটে ফাউল করার কারণে হলুদ কার্ড দেখতে হয় রাফিনিয়াকে। চার মিনিট বাদে গাতাফের গাস্তন আলভারেসকে ফাউল করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডকে। আর ৭০ তম মিনিটে রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ায় লালা কার্ড দেখে ডাগ আউট ছাড়তে হয় জাভিকেও।

 

রেফারির এই দুটি সিদ্ধান্ত পক্ষপাতমূলক বলে মন্তব্য করেন জাভি।

 

ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘মানুষ যে ফুটবল দেখতে চায় না, এটা স্বাভাবিকই। কারণ, এটাকে কোনোমতে একটা ম্যাচ বলা যায়। এই এটাই যদি হয় আমাদের লিগের পণ্য, যেটা আমরা বিক্রি করে থাকি, তবে সেটা লজ্জাজনক। পুরোপুরি লজ্জাজনক। সবাই দেখেছে কী ঘটেছে। বলতেই হচ্ছে, আমাদের চুপ থাকা উচিত নয়।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘রাফিনিয়ার ব্যাপারটা কয়েকটি ঘটনার চূড়ান্ত অবস্থা। ম্যাচ অফিশিয়ালসরা ওদের (গেতাফে) অনেক কিছুই ছাড় দিয়েছেন, কিন্তু আমাদের দেননি। তাঁরা সময় নষ্ট করেছেন, খেলা থামিয়েছেন। এটা তাঁদেরই খেলা ছিল। এখানে রেফারিদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা বেশি হয়ে গেছে। আমরা মাথা গরম করেছি, রাফিনিয়া একটা ভুল করেছে। কারণ, এর আগে অনেক কিছুই ঘটেছে।’

 

‘আমি এখানে হ্যান্ডবল দেখি না। যদি পরিষ্কার হ্যান্ডবল না হয়, তাহলে রেফারির বাঁশি বাজবে না। এ সপ্তাহে রেফারিদের সঙ্গে কোচদের বৈঠকে আমাদের এমনটাই জানানো হয়েছে। অথচ তাঁরা গাভির বিপক্ষে হ্যান্ডবল দিলেন। আমি তো বলব, তাঁরা হ্যান্ডবল আবিষ্কার করেছেন। আর এটাই ঘটেছে’, তিনি যোগ করেন।

প্রচ্ছদবিনোদন এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
কমলাপুর রেলস্টেশনের ঘাস নিয়ে লাইভ করার পর এবার ট্রেনে ওঠার সময় নারী ও বৃদ্ধাদের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফের ফেসবুক লাইভ করলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে যারা রেলে চলাফেরা করেন তাদের প্রতি কি একটু সহায় হবেন- এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেউ যদি বউ-বাচ্চা, বৃদ্ধা মা-বাবাকে নিয়ে ট্রেনে উঠতে চান তা হলে বউ থাকবে কই আর মা-বাবা থাকবে কই। শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভে এসে প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনে ওঠার সিঁড়ির দূরত্ব দেখিয়ে সুমন বলেন, ‘এই ট্রেনটাকে মিটার গেজ (পরে সংশোধন করে বলেন ব্রডগেজ) বলা হয়। আমার প্রশ্ন হলো-প্ল্যাটফ্রম থেকে দূরত্ব বা উচ্চতা কত? ব্রিটিশ আমলের ট্রেনগুলো ছিল এমন। আপনারা (রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ) নতুন ট্রেন আনলেন কিন্তু প্ল্যাটফর্ম এখনো পুরনো।’ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত লোকদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সবাই, প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনের উচ্চতা দোতলার সমান। কোনো স্টেশনে ট্রেনটি তিন মিনিট থামে। তিন মিনিটে ৫০ জন মানুষ প্রায় দুই তলার সমান উচ্চতায় ওঠা কি সম্ভব?’ রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলমন্ত্রী, ট্রেন আপনি অনেক উঁচু বানিয়ে দিছেন। আর প্ল্যাটফর্ম এখানে বিট্রিশ আমলের। আমি কমলাপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে বলছি। আর গ্রামের স্টেশনগুলোর অবস্থা তো আরও খারাপ। সেখানে ট্রেনে উঠতে তো রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। বউ বাচ্চা নিয়ে ওঠা একটা বে-ইজ্জতের কারবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুনিয়া এগোচ্ছে, সব কিছু এগোচ্ছে। রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে ব্রেইনে আনেন পরিবর্তন করার। আপনারা বউ-বাচ্চা লইয়া ট্রেনে যাতায়াত করবেন কি-না জানি না। তবে, এই প্ল্যাটফর্ম ট্রেনের সমান করতে কোটি কোটি টাকার দরকার পড়বে না। আশা করি রেলমন্ত্রীসহ সকলেই এর প্রতি সদয় হবেন।’ এর আগে (৩০ মে) ব্যারিস্টার সুমন স্টেশনের সামনে রেললাইনের ওপর বেড়ে ওঠা ঘাস কেটে পরিচ্ছন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তার নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ দেন। এর পরদিনই (শুক্রবার) সেসব ঘাস কেটে পরিষ্কার করে ফেলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য ট্রেনে তুলে দিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখানে তিনি দেখেন, রেললাইনের ওপর বড় বড় ঘাস জন্মেছে। যা কাটার জন্য কারো সময় নেই। ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘রেলের সময় নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি ভালোই চলতেছে। এজন্য রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’ ওই লাইভে তিনি আরও বলেন, এটা দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন। এটা কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এ সময় তিনি এক হাত লম্বা লম্বা ঘাস দেখিয়ে বলেন, ‘কিছু লোক লাগিয়ে ঘাসগুলো পরিষ্কার করলে স্টেশনটা অনেক সুন্দর হয়ে যেত।’
৬ years ago