Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাচ্ছে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) সেবা। বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সেবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জানা গেছে, মেয়াদ অনুযায়ী ই-পাসপোর্টের সর্বোচ্চ ফি ১২ হাজার টাকা আর সর্বনিম্ন ফি সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এতে কোনো ভ্যাট সংযুক্ত হবে না। ই-পাসপোর্টে কাগজপত্রের কোনো সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।

ই-পাসপোর্টের ফি

পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীর জন্য সর্বোচ্চ ফি ২২৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ফি ১০০ ডলার। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ফি ২২৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ফি ৩০ ডলার। সবক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট হবে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার। তিন ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে ই-পাসপোর্ট। সে অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানা যায়, ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী সাধারণ পাসপোর্টের ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং অতি জরুরি বাবদ সাড়ে ৭ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এছাড়া ৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে ৫ হাজার, ৭ হাজার ও ৯ হাজার টাকা।

একইভাবে ৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী সাধারণ পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ৭ হাজার ৫০০ এবং অতি জরুরি বাবদ ১০ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে ৭ হাজার, ৯ হাজার ও ১২ হাজার টাকা। সব ফি’র সঙ্গে যুক্ত হবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট।

অনলাইনেই পূরণ করা যাবে ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র। এছাড়া পিডিএফ ফরম্যাট ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ফরমটি পূরণ করা যাবে। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।

যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের পিতা এবং মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করে ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে জন্মনিবন্ধন সনদ লাগবে। ১৮ বছরের নিচে সব আবেদনকারীর ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত কর্মদিবসের মধ্যে দেয়া হবে। জরুরি পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেয়া হবে। অতিজরুরি পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেয়া হবে।

কূটনৈতিক পাসপোর্ট পেতে আবেদনকারীদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার উইং বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদন করতে হবে। পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত তথ্য সংযোজন বা ছবি পরিবর্তনের প্রয়োজন না হলে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতির দরকার নেই।

আবেদনের ফরমে নতুন যা যুক্ত হচ্ছে
ফরমে ৮৭ ধরনের তথ্য চাওয়া হবে। এবার নতুন কিছু বিষয় যুক্ত হচ্ছে। এই ফরমে পাসপোর্টের মেয়াদ (৫ বছর অথবা ১০ বছর) ও পাসপোর্টের পাতার সংখ্যা (৪৮ অথবা ৬৪) এবং বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হবে।

এছাড়া ২৪ ঘণ্টার অতি জরুরি পাসপোর্ট প্রয়োজন হলে আবেদনকারীকে নিজ উদ্যোগে আগেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে হবে। এক্ষেত্রে পাসপোর্টের ফরমে প্রি-পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের নম্বর ফরমে উল্লেখ করতে হবে। আবেদনের সময় জমা দিতে হবে ক্লিয়ারেন্সের কপি।

এছাড়া এই পাসপোর্ট করতে আবেদনের ফরমে বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে কোনো ধরনের সত্যায়ন লাগবে না।

আরো জানতেঃ

সত্যায়নের ঝামেলা নেই ই-পাসপোর্টে

ই-পাসপোর্টের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফ নেয়া হয়েছে 

 

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here