Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আন্দোলন আজকের মতো স্থগিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে আবার আন্দোলন শুরু হবে। সেই সঙ্গে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দিয়েছেন।

আন্দোলন স্থগিত করে বুয়েট উপাচার্যের (ভিসি) বাসভবনসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো সব তালা খুলে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যা প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বুয়েট ক্যাম্পাস। হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে সকাল থেকে আন্দোলনে নামেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুয়েটের বিভিন্ন ভবনে তারা তালা লাগিয়ে দেন।

সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ভিসি ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন। পরে তাকে প্রায় ৪০ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

আবরার ফাহাদ হত্যার বেশ কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কেন তিনি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সামনে আসেননি, কেন ক্যাম্পাসে দাঙ্গা পুলিশ চড়াও হলো একের পর এক প্রশ্ন করে ভিসির কাছে উত্তর জানতে চান শিক্ষার্থীরা। পরে নানাভাবে বুঝিয়ে উপস্থিত শিক্ষক ও ডিনদের নিয়ে চলে যান ভিসি সাইফুল ইসলাম।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, বুয়েটের শেরেবাংলা হলের শিক্ষার্থী, সিসিটিভি ফুটেজ ও আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।

সূত্র জানায়, ফাহাদকে জেরা ও পেটানোর সময় হলের ওই কক্ষে অমিত সাহা, মুজতাবা রাফিদ, ইফতি মোশাররফ ওরফে সকালসহ তৃতীয় বর্ষের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই কক্ষে এসে দ্বিতীয় দফায় ফাহাদকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক ও নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই বর্ষের মেফতাহুল ইসলাম জিয়নসহ কয়েকজন। তারা সবাই মেহেদী হাসান রাসেলের অনুসারী।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে সোমবার সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্। এ ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here