Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

গৌরনদী প্রতিনিধি ॥ বরিশালের প্রত্যন্ত পল্লি গুঠিয়া ইউনিয়নের ডহরপাড়া গ্রামের জ্ঞানের পাঠশালার উদ্যোগে দিন ব্যাপি বসন্ত বরন ২০২০ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

শিক্ষার্থীদেন পরিবেশনায় অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল আলোচনা, আনন্দ আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান, গৌরনদী পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি ও প্রথম আলোর সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির জ্ঞানের পাঠশালার জন্য তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ,  সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন লেখকের লেখা সাড়ে ৬ হাজার টাকা মূল্যের ৩৫ টি বই জ্ঞানের পাঠশালার সভাপতি রাইসা রহমান উর্মিসহ পাঠশালার কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাদের হাতে তুলে দেন।

 

ডহরপাড়া সামাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল থেকে দিনব্যাপী চলে অনুষ্ঠান মালা। মাঠে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে নারী-পুরুষ,শিশু, বৃদ্ধা, যবক-যুবতিসহ জড়ো হয় হাজারো মানুষ। জ্ঞানের পাঠশালা পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাইসা রহমানের সভাপতিত্বে বসন্ত বরন অনুষ্ঠানের আলোচনায় অংশ নেন জ্ঞানের পাঠশালার উপদেষ্টা ডহরপাড়া সামাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ লুৎফর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুর রহমান,

 

মিজানুর রহমান, কাজী আফিফা আখতার, খালিদুর রহমান খান, গুঠিয়া আইডিয়েল কলেজের সহকারী অধ্যাপক হোসনে আরা জাহান, উন্নয়ন সংগঠক মোঃ আনিসুর রহমান, গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও গৌরনদী পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, গৌরনদী রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি পলাশ তালুকদার, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শামীম মীর ।

 

বক্তব্য রাখেন জ্ঞানের পাঠশালার সাধারন সম্পাদক আরিফ মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শামীম হাওলাদার, সহ-সভাপতি মো: মঈন খান, প্রচার সম্পাদক মোঃ বনি আমিন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ নাসিম খান, ক্রীড়া মোঃ রাহাত মিঞা।

 

আলোচনা ফাকে ফাকে জ্ঞানের পাঠশালার শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় পরিবেশিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আগত স্থানীয় নার্গিস সুলতানা (৪৫), ফজলুল হক বলেন, জ্ঞানের পাঠশালার উদ্যোগে আমাদের সন্তানেরা বিভিন্ন জ্ঞান শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ পেয়েছে। শিশু শিক্ষার্থী সুজন, শাহিন, শারমিন বলেন, আমরা বিনোদনের মধ্য দিয়ে এখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারছি।

 

উল্লেখ্য ২০১৮ সালে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লি গুঠিয়া ইউনিয়নের ডহরপাড়া গ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ পড়ুয়া এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীরা স্থানীয় ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনির পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইংরেজী ভাষা শিক্ষা, বিনোদনের মাধ্যমে শিক্ষা, বিতর্ক শিখন-প্রতিযোগীতা, কুইজ প্রতিযোগীতা, ভাইবা পরীক্ষার প্রস্তুতি,

 

সৃজনশীলতা বৃদ্ধির কৌশল, সংগীত চর্চা, ধর্মীয় শিক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসার ধারনাসহ সাধারন জ্ঞান শিক্ষার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ পড়ুয়া মেধাবীরা ছাত্র ছাত্রীরা প্রতিষ্ঠা করেন জ্ঞানের পাঠশালা। বিনা পয়সার পাঠদান করা হয়।

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here